চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হলো—চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের অন্যান্য সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী চলবে। বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।সাম্প্রতিক পরিস্থিতির বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:চট্টগ্রাম বোর্ড: বন্যা ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি—এই পাঁচ জেলায় ১৬ জুলাই পর্যন্ত সকল পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।অন্যান্য বোর্ড: চট্টগ্রাম ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর এবং ময়মনসিংহ বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাগুলো তাদের পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলন: পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে রাজধানী ঢাকার সায়েন্স ল্যাব ও জয়পুরহাটে কিছু পরীক্ষার্থী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, একটি অঞ্চলের সমস্যার কারণে সারা দেশের পরীক্ষা স্থগিত করা বাস্তবসম্মত নয়।শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন Dainik Shiksha-এর এই প্রতিবেদন থেকে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের বেশ কয়েকটি পরীক্ষার তারিখ স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। �
Dhaka Education Board +1
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এলাকাসহ কিছু অঞ্চলে নির্ধারিত তারিখের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে যেসব অঞ্চলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, সেখানে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে। �
Prothomalo +1
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল নোটিশ নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। �
Dhaka Education Board +1
এদিকে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে নতুন সময়সূচি দ্রুত প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। �
কালের কণ্ঠ
পরীক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ:
আতঙ্কিত না হয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যান এবং শুধুমাত্র শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির ওপর নির্ভর করুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা ভুয়া নোটিশে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Post a Comment